খেলনার বাজারে করোনার ধাক্কা
স্কুল বন্ধের প্রভাব পড়েছে দেশের খেলনার বাজারে। গেলো চার মাসে বিক্রি কিছুটা বাড়লেও এখনো পুরো স্বাভাবিক হয়নি। সরকারি সহযোগিতা পেলে দেশের খেলনার বাজার দ্বিগুণ বেড়ে ১০ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়ে যাবে। এমন তথ্য জানিয়েছে খেলনা আমদানিকারক ও উৎপাদনকারীদের সংগঠন টয় মার্চেন্ট, ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড ইম্পোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন।
করোনার সংক্রমণ ঠেকাতে গেলো বছরের মার্চের শেষ দিকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ মার্কেট, দোকানপাট বন্ধ করে দেয় সরকার। কয়েক মাস পর ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খোলা হলেও এখনো বন্ধ রয়েছে স্কুল কলেজ। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় খেলনার চাহিদা বেড়েছে শিশু কিশোরদের মধ্যে।
বিক্রেতারা বলছেন, গেলো চার মাসে বেড়েছে খেলনা বিক্রি। কিচেন সেট, গাড়ি, পাজল, বন্দুক ও কয়েক রকমের পুতুল বিক্রি হচ্ছে বেশি। এসব খেলনার মূল্য ১০০ থেকে ৫০০ টাকার মধ্যে।
তবে বাজার পরিস্থিতি এখনো পুরো স্বাভাবিক হয়নি বলে দাবি খেলনা আমদানিকারক ও উৎপাদনকারীদের। তাদের হিসাবে, করোনার আগে উৎপাদনের শতভাগ বিক্রি হলেও বর্তমানে বিক্রি হচ্ছে ৬০ শতাংশ। আগের মতো নানা ধরনের মেলা না হওয়ায় পূরণ হচ্ছে না বিক্রির লক্ষ্য।
চাহিদার ৮০ শতাংশ খেলনাই বর্তমানে দেশে উৎপাদিত হয়। তবে খেলনা উৎপাদনে আলাদা অঞ্চল হলে বিক্রি দ্বিগুণ হবে বলে আশা ব্যবসায়ীদের।
#তমহ/বিবি/২৫ ০২ ২০২১
Share with others:
Recent Posts
Recently published articles!
-
অর্থনীতি ডেস্ক, বিবি
-
শেয়ারবাজার ডেস্ক, বিবি
-
ব্যাংক ডেস্ক, বিবি
-
অর্থনীতি ডেস্ক, বিবি
-
ব্যবসা ডেস্ক, বিবি