যুক্তরাজ্যের শুল্ক সুবিধা থাকছে...
ইউরোপীয় ইউনিয়নে (ইইউ) আর নেই যুক্তরাজ্য। ফলে দেশটি থেকে পাওয়া শুল্কছাড় বজায় থাকবে কিনা এ নিয়ে সংশয়ে ছিলো বাংলাদেশ। সেই শঙ্কা কেটে গেছে। থাকছে শুল্ক সুবিধা। শুধুই বাংলাদেশ নয়, আরো ৪৬ দেশ আছে এই তালিকায়। তাদের জন্য আমদানিতে শুল্ক সুবিধা অব্যাহত থাকবে, এটা জানিয়েছে যুক্তরাজ্য। এসব দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে এভাবেই পাশে থাকবে তারা।
এ বিষয়ে যুক্তরাজ্যের আন্তর্জাতিক বাণিজ্য, বৈদেশিক, কমনওয়েলথ ও উন্নয়ন দপ্তর বলছে, বিশ্বের অন্যান্য দেশের তুলনায় স্বল্প আয়ের এবং নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশগুলো কম শুল্ক থেকে উপকৃত হবে।
উল্লেখ্য যে, গতবছর যুক্তরাজ্য স্বল্পোন্নত এমন দেশগুলো থেকে প্রায় আট বিলিয়ন ডলারের টেক্সটাইল এবং পোশাক পণ্য আমদানি করেছিলো। যুক্তরাজ্য সরকার উন্নয়নশীল দেশগুলোকে সহায়তার জন্য এই প্রকল্পটি উন্নত করার পরিকল্পনা নিয়েছে যা ২০২১ সালে আরও বিস্তৃত করবে।
গত ১০ নভেম্বর মঙ্গলবার যুক্তরাজ্যের আন্তর্জাতিক বাণিজ্য বিষয়কমন্ত্রী লিস ট্রাস ট্রুজ বলেন, যুক্তরাজ্য এখন ইউরোপীয় ইউনিয়নে নেই। ফলে ব্রিটিশ আমদানিকারকরা বিশ্বের দরিদ্রতম দেশগুলোর পোশাক এবং শাক সবজির মতো নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যগুলোতে শূন্য বা হ্রাস শুল্ক প্রদান অব্যাহত রাখবে।
২০১৯ সালে যুক্তরাজ্য ইইউ জিএসপির অর্ন্তভুক্ত দেশগুলো থেকে প্রায় আট বিলিয়ন ডলারের টেক্সটাইল এবং পোশাক পণ্য আমদানি করেছিল। এটি যুক্তরাজ্যে সকল টেক্সটাইল এবং পোশাক আমদানির ৩০ শতাংশ।
তিনি বলেন, ‘আমরা অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত দেশগুলো থেকে প্রায় এক বিলিয়ন ডলারের সবজি আমদানি করেছি, যা মোট সবজি আমদানির প্রায় ৮ শতাংশ।’
দেশটির আন্তর্জাতিক বাণিজ্য বিষয়ক মন্ত্রী বলেন, এসব উদ্যোগ মুক্ত বাণিজ্য ব্যবসা বৃদ্ধিতে সহায়তা করে, অর্থনীতি বৃদ্ধি করে এবং নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে।
"আমরা নিশ্চিত করছি, বিশ্বের দরিদ্রতম দেশগুলো যে সুযোগগুলো ইউকে তাদের পছন্দসই হারে যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি করার অনুমতি দিয়ে তাদের যে সুযোগ দেয় সেগুলোর সদ্ব্যবহার অব্যাহত রাখতে পারবে।" বলেন লিস ট্রাস।
"এটি উন্নয়নশীল অর্থনীতির দেশগুলোকে সুদৃঢ় শিল্প প্রতিষ্ঠা, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং দীর্ঘমেয়াদে বিদেশি সহায়তার ওপর নির্ভরতা কমাতে সহায়তা করবে।"
এই প্রকল্পটি ব্রিটিশ ব্যবসায়ীদের (ইইউ ছেড়ে চলে আসার পরে) নির্বিঘ্নে বাণিজ্য চালিয়ে যেতে এবং ব্রিটিশ গ্রাহকদের তাদের কিছু প্রিয় পণ্য সাশ্রয়ী মূল্যে অবিচ্ছিন্নভাবে প্রবেশাধিকার সরবরাহ করতে সহায়তা করবে। সূত্র: ইউএনবি
বিবি/টিএমএইচ/১২ ১১ ২০২০
Share with others:
Recent Posts
Recently published articles!
-
অর্থনীতি ডেস্ক, বিবি
-
শেয়ারবাজার ডেস্ক, বিবি
-
ব্যাংক ডেস্ক, বিবি
-
অর্থনীতি ডেস্ক, বিবি
-
ব্যবসা ডেস্ক, বিবি